রঙের খেলা
লাল রং বলে — আমি সূর্যের আলো, ভোরের আকাশে আমি জ্বলি ভালো ভালো। আমি আপেলের গালে, গোলাপের পাতায়, আমি ভালোবাসা রঙে মাখি সব হাতে।
নীল রং বলে — আমি আকাশ সমান, আমার বুকের কাছে মেঘেরা গায় গান। সমুদ্রের ঢেউয়ে আমি নাচি দিনরাত, প্রজাপতির ডানায় আমি রাঙাই প্রভাত।
সবুজ রং বলে — আমি গাছের প্রাণ, পাতায় পাতায় আমি ছড়াই সুবাস। ঘাসের ডগায় শিশির আমার দোলনা, বসন্তের বনে আমি বাজাই বাঁশি না।
হলুদ রং বলে — সরষে ফুলের মেলা, শরতের রোদ্দুরে আমি খেলি খেলা। মৌমাছি ভনভন করে আমার কাছে, সোনালি রঙের ধান পাকে আমার পাশে।
রংধনুর রং
বৃষ্টি থামল, রোদ এল, আকাশে রংধনু ফুটল। সাতটি রঙের সাতটি ভাই, হাত ধরাধরি সারি সারি।
বেগুনি বলে — আমি প্রথমে, আকাশের কোণে আমার ঘর। নীল বলে — আমি তো পাশে, নদীর মতো বয়ে চলি দূর।
আসমানি বলে — আমি স্বপ্নের রং, ঘুমের মধ্যে দেখো আমায়। সবুজ বলে — বনের গান আমি, পাখির ডাকে জাগো সকালে।
হলুদ বলে — আমি রোদের হাসি, কমলা বলে — আমি সন্ধ্যেবেলা। লাল বলে — আমি শেষে এসেছি, সবার সেরা আমার খেলা!
সবাই মিলে বলে তখন — একলা কেউ সুন্দর নয়, সাতজন মিলে রংধনু হই, একসাঙ্গে থাকলেই জয়!
প্রজাপতি
প্রজাপতি প্রজাপতি, কোথায় পেলে এত রং? কে তোমাকে এঁকে দিল এত সুন্দর পালং?
ফুলে ফুলে ওড়ো তুমি, নাচো বাতাসের সাথে, সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি, কোন ক্লান্তি নেই গায়ে।
প্রজাপতি হেসে বলে — রং আমার মনের ভেতরে, যত আনন্দ, তত রং, খুশি থাকো সবার তরে!
